খেলাধুলা

star binodan award 2026

স্টার বিনোদন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬

সমাজে বহু মানুষ রয়েছে যারা সাধারণ হয়েও অসাধারণ। সাধারণ মানুষের ভিড়েই লুকিয়ে আছে অসাধারণ কিছু গল্প। যারা হার না মেনে লড়ে যাচ্ছে। নিজেকে বদলাচ্ছে। সমাজকে নতুন দিশা দেখাচ্ছে। তাদের পরিশ্রম, তাদের লড়াই এবার আমরা তুলে ধরব অন্যদের অনুপ্রাণিত করার জন্য। আমরা খুঁজছি সেই মানুষগুলোকে যারা হলেন গল্পকারদের: যারা লিখতে ভালোবাসেন, কলম দিয়ে জাদু করেন। রন্ধনশিল্পীদের: যারা রান্না করতে ভালোবাসেন, খাবারের স্বাদ বদলে দেন। শিল্পীদের: যাদের আঁকা, কবিতা, গল্প মানুষের মন ছুঁয়ে যায়। অনুপ্রেরণার মানুষদের: যাদের জীবনের অভিজ্ঞতা অন্যদের পথ দেখায়। দক্ষতা সম্পন্ন মানুষদের: খেলাধুলা, সাংবাদিকতা, কনটেন্ট, সোশ্যাল কাজ — যে কোনো ক্ষেত্রে। স্টার বিনোদন টিম এবার আসছে আপনার ঘরে কে অংশগ্রহণ করতে পারবে?যে কেউই। বয়স, পেশা, শহর কোনো বাধা নেই। যদি আপনার গল্প, কাজ বা দক্ষতা অন্যকে অনুপ্রাণিত করে, তাহলে এই মঞ্চ আপনার জন্যই। নমিনেশন কিভাবে?নমিনেশন শুরু: ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ওয়েবসাইটে ফর্ম ফিলাপ করুন: www.starbinodan.com/award যোগাযোগ: +91 9007108762ইমেইল: binodanerstar@gmail.com আপনার গল্প, খেলা, কবিতা, অভিজ্ঞতা — সব কিছু এবার বড় পর্দায়।

স্টার বিনোদন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ Read More »

yoga

খেলাধুলা ও শরীর চর্চা

আমরা এখন এমন একটা সময়ে বাস করছি যেখানে সবকিছুই এক ক্লিকে। খাবার, পড়া, আড্ডা — সব মোবাইলে। ফলে আমাদের শরীর নড়াচড়ার সুযোগই পাচ্ছে না। এর ফল? ছোট বয়সেই সুগার, প্রেসার, মোটা পা। তাই আজকের দিনে দাঁড়িয়ে খেলাধুলা ও শরীর চর্চা শুধু শখ না, এটা বেঁচে থাকার জন্য জরুরি। ১. শরীর ও মনের ফায়দাশরীরের জন্য: রোজ ৪৫ মিনিট খেললে হার্ট ভালো থাকে, হাড় শক্ত হয়, ইমিউনিটি বাড়ে। স্থূলতা, ডায়াবেটিসের মতো অসুখ দূরে থাকে।মনের জন্য: খেলার সময় শরীর থেকে “হ্যাপি হরমোন” বের হয়। তাই টেনশন, ডিপ্রেশন কমে। দলগত খেলা শেখায় ধৈর্য, নেতৃত্ব আর একসাথে কাজ করার মানসিকতা। হারলে কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয় সেটাও মাঠই শেখায়। ২. “খেললে পড়া হবে না” — এই ভুল ধারণা ভাঙতে হবে।অনেক বাড়িতে এখনও বাবা-মা বলেন “সারাদিন খেলিস না, বই নিয়ে বস”।কিন্তু গবেষণা বলছে উল্টোটা। যে ছাত্ররা রোজ খেলে, তাদের পড়ায় মনোযোগ ৩০% বেশি থাকে। কারণ খেলা ব্রেনে অক্সিজেনের সাপ্লাই বাড়ায়। ফর্মুলা একটাই, খেলবে আর পড়বে, দুটোই করবে। তবেই তৈরি হবে সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম। ৩. পাড়ার গলি থেকে অলিম্পিকের মঞ্চআজকের নীরজ চোপড়া কালকের পানিপথের মাঠের ছেলে। পিভি সিন্ধু একদিন হায়দ্রাবাদের একটা ছোট কোর্টে র‍্যাকেট হাতে নিয়েছিল।স্কুল-কলেজের স্পোর্টস, জেলা স্তরের প্রতিযোগিতা এগুলোই চ্যাম্পিয়নের কারখানা। কিন্তু দুঃখের বিষয়, অনেক স্কুলে মাঠ নেই, কোচ নেই, সরঞ্জাম নেই। সরকার ও ক্লাবগুলোকে এদিকে নজর দিতে হবে। ৪. মেয়েদের খেলাআগে বলা হতো “মেয়েরা খেললে কি হবে?”। এখন সেই উত্তর দিচ্ছে সাক্ষী মালিক, মিতালি রাজ, হিমা দাস। কিন্তু গ্রামে এখনও অনেক মেয়েকে খেলতে দেওয়া হয় না। “লোকে কি বলবে” এই ভয় দেখানো হয়। সময় এসেছে বদলানোর।মেয়েদের জন্য আলাদা মাঠ, মহিলা কোচ, নিরাপত্তা — এই সব নিশ্চিত করতে হবে। কারণ একটা মেয়ে খেললে একটা গোটা পরিবার সুস্থ হয়। ৫. আমরা কি করতে পারি? উপসংহার।। একটা জাতির শক্তি মাপা হয় তার যুব সমাজ দিয়ে। আর যুব সমাজ শক্তিশালী হয় খেলাধুলা দিয়ে।মনে রাখতে হবে, ট্রফি জেতা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো মাঠে নেমে ঘাম ঝরানো। সেই ঘাম থেকেই আসবে শৃঙ্খলা। সেই শৃঙ্খলা থেকেই আসবে সাফল্য। আর সেই সাফল্য দিয়েই আমরা গড়ে তুলবো একটা সুস্থ, সবল ও আত্মবিশ্বাসী ভারত। তাই খেলো আজ, নাহলে ওষুধ খেতে হবে কাল।

খেলাধুলা ও শরীর চর্চা Read More »