গল্পঃ

star binodan award 2026

স্টার বিনোদন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬

সমাজে বহু মানুষ রয়েছে যারা সাধারণ হয়েও অসাধারণ। সাধারণ মানুষের ভিড়েই লুকিয়ে আছে অসাধারণ কিছু গল্প। যারা হার না মেনে লড়ে যাচ্ছে। নিজেকে বদলাচ্ছে। সমাজকে নতুন দিশা দেখাচ্ছে। তাদের পরিশ্রম, তাদের লড়াই এবার আমরা তুলে ধরব অন্যদের অনুপ্রাণিত করার জন্য। আমরা খুঁজছি সেই মানুষগুলোকে যারা হলেন গল্পকারদের: যারা লিখতে ভালোবাসেন, কলম দিয়ে জাদু করেন। রন্ধনশিল্পীদের: যারা রান্না করতে ভালোবাসেন, খাবারের স্বাদ বদলে দেন। শিল্পীদের: যাদের আঁকা, কবিতা, গল্প মানুষের মন ছুঁয়ে যায়। অনুপ্রেরণার মানুষদের: যাদের জীবনের অভিজ্ঞতা অন্যদের পথ দেখায়। দক্ষতা সম্পন্ন মানুষদের: খেলাধুলা, সাংবাদিকতা, কনটেন্ট, সোশ্যাল কাজ — যে কোনো ক্ষেত্রে। স্টার বিনোদন টিম এবার আসছে আপনার ঘরে কে অংশগ্রহণ করতে পারবে?যে কেউই। বয়স, পেশা, শহর কোনো বাধা নেই। যদি আপনার গল্প, কাজ বা দক্ষতা অন্যকে অনুপ্রাণিত করে, তাহলে এই মঞ্চ আপনার জন্যই। নমিনেশন কিভাবে?নমিনেশন শুরু: ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ওয়েবসাইটে ফর্ম ফিলাপ করুন: www.starbinodan.com/award যোগাযোগ: +91 9007108762ইমেইল: binodanerstar@gmail.com আপনার গল্প, খেলা, কবিতা, অভিজ্ঞতা — সব কিছু এবার বড় পর্দায়।

স্টার বিনোদন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ Read More »

doctor with children

ডাক্তারের পরামর্শ

ভূমিকাআমাদের জীবনে গাড়ি খারাপ হলে মেকানিক, ফোন খারাপ হলে ইঞ্জিনিয়ার ডাকি। কিন্তু শরীর খারাপ হলে আগে পাড়ার দোকান, তারপর ইউটিউব, সবার শেষে ডাক্তার। এই ভুলটাই সবচেয়ে দামি। কারণ শরীর একটাই, আর সেটার কোনো “রিপ্লেসমেন্ট” নেই। তাই আজকের প্রতিবেদনে জানবো কেন, কখন এবং কিভাবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পর্ব ১: “নিজে ডাক্তারি” কেন বিপদজনক?1. লক্ষণ এক, রোগ হাজারটামাথা ঘোরা মানে শুধু দুর্বলতা না। এটা প্রেসার, সুগার, কানের সমস্যা, আবার ব্রেনের টিউমারও হতে পারে। ডাক্তার ছাড়া আসল কারণ বোঝা অসম্ভব। 2. ভুল ওষুধে অঙ্গ নষ্টপেইনকিলার বেশি খেলে কিডনি, অ্যান্টিবায়োটিক ভুলভাবে খেলে লিভার আর ইমিউনিটি দুটোই নষ্ট হয়। পরে ছোট ইনফেকশনও আর ওষুধে সারে না। 3. মানসিক চাপ বাড়েগুগলে “পেট ব্যথা” লিখলেই ক্যান্সার দেখায়। এতে অযথা টেনশন বাড়ে। ডাক্তার আপনাকে রোগ + ভয় দুটো থেকেই মুক্তি দেন। পর্ব ২: এই ৮টি “লাল সংকেত” উপেক্ষা করবেন নাডাক্তারের কাছে যাওয়া পিছোবেন না যদি: পর্ব ৩: স্মার্ট রোগীর “চেম্বার গাইড”ডাক্তারের 10 মিনিটকে কাজে লাগান। সাথে নিয়ে যান: A. ডকুমেন্টস ফাইলপুরনো প্রেসক্রিপশন, এক্স-রে, সুগার-প্রেসারের রিপোর্ট। এগুলো ডাক্তারকে আপনার হিস্ট্রি বুঝতে সাহায্য করে। B. ওষুধের ব্যাগআপনি এখন কি খাচ্ছেন সব দেখান। ভিটামিন, হারবাল, হোমিওপ্যাথি বাদ দেবেন না। C. 4টি মাস্ট-আস্ক প্রশ্ন লজ্জা পাবেন না। প্রশ্ন করাই আপনার অধিকার। পর্ব ৪: আমরা যে ৫টি ভুল বারবার করি পর্ব ৫: প্রতিরোধই সেরা বিনিয়োগঅসুস্থ হলে ডাক্তার নয়, সুস্থ থাকতেই ডাক্তার। “বার্ষিক স্বাস্থ্য চেকআপ” কে পূজোর কেনাকাটার মতো জরুরি করুন। 30 এর পর প্রতি বছর:CBC + সুগার + লিপিড + থাইরয়েড + কিডনি + লিভার – এই 6টা টেস্ট অনেক রোগ শুরুতেই ধরে দেয়। সাথে রোজ: 30 মিনিট হাঁটা, 8 গ্লাস জল, 7 ঘন্টা ঘুম, আর স্ক্রিন টাইম কমানো। উপসংহারসিদ্ধান্ত আপনার হাতেমনে রাখবেন, ডাক্তার আপনাকে সারিয়ে তোলেন না। উনি রাস্তা দেখান। সেই রাস্তায় হাঁটার দায়িত্ব আপনার। আজকের 500 টাকার পরামর্শ, আগামীকালের 5 লাখ টাকার ICU বিল আটকে দিতে পারে।তাই শরীরের ছোট “সিগন্যাল” গুলোকে গুরুত্ব দিন। তাই অবহেলা নয়, আগে ডাক্তার। তারপর বাকি সব। গুরুত্বপূর্ণ দাবিত্যাগ: এই লেখা শুধুমাত্র সাধারণ সচেতনতার জন্য। কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যায় অবশ্যই নিকটবর্তী MBBS/MD ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। জরুরি অবস্থায় 108 বা নিকটবর্তী হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

ডাক্তারের পরামর্শ Read More »

making the idol

ভারতীয় সংস্কৃতি

ভারতীয় সংস্কৃতি পৃথিবীর প্রাচীনতম এবং সমৃদ্ধতম সংস্কৃতিগুলোর মধ্যে একটি। প্রায় ৫০০০ বছরের পুরনো সভ্যতা সিন্ধু থেকে শুরু করে আজকের ডিজিটাল ভারত – সব যুগের ছাপ এখানে আছে। ভারতের মূলমন্ত্র: “বসুধৈব কুটুম্বকম” অর্থাৎ “সমগ্র পৃথিবীই একটি পরিবার”। ১. বৈচিত্র্যের মূল বৈশিষ্ট্যভারতকে বলা হয় “একতায় বৈচিত্র্য”র দেশ। ২. উৎসব ও ঐতিহ্যউৎসবই ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাণ। ৩. শিল্প, সাহিত্য ও সঙ্গীত ৪. খাদ্য সংস্কৃতিভারতীয় খাবার মানেই মশলা আর ভালোবাসার মিশ্রণ। ৫. পোশাক ও শিল্পকলা ৬. মূল্যবোধভারতীয় সংস্কৃতির ভিত্তি ৩টি: উপসংহারভারতীয় সংস্কৃতি একটি জীবন্ত নদীর মতো। পুরনোকে ধরে রেখে নতুনকে আপন করে নেয়। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সিনেমা যতই এগোক, মূল শিকড়টা একই থাকে। এই বৈচিত্র্যই ভারতকে পৃথিবীর কাছে আলাদা করে তোলে। সারকথা: “বিভিন্ন ভাষা, বিভিন্ন পোশাক, তবুও আমরা এক – আমরা ভারতীয়”।

ভারতীয় সংস্কৃতি Read More »

black & white uttam suchitra

সিনেমা জগৎ

সিনেমা হলো ২৪ ফ্রেমে ধরা একটা স্বপ্ন। এটা শুধু গল্প না, এটা হাজার কোটি টাকার ইন্ডাস্ট্রি, লাখ লোকের রুটি-রুজি, আর কোটি মানুষের আবেগ। ১. বিশ্ব সিনেমার ইতিহাস1895: লুমিয়ের ব্রাদার্স প্রথম ছবি দেখালো।1931: ভারতে প্রথম টকি “আলম আরা”।1950-60: সত্যজিৎ রায়ের “পথের পাঁচালী” দিয়ে বাংলা সিনেমা বিশ্বে জায়গা পেলো।2009: “Avatar” দিয়ে 3D আর VFX এর নতুন যুগ।2020: করোনার পর OTT বিস্ফোরণ। ২. ভারতীয় সিনেমা – ৪ স্তম্ভ A. বলিউড – হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকেন্দ্র: মুম্বাই। বছরে ২০০+ ছবি।বৈশিষ্ট্য: গান, নাচ, স্টার পাওয়ার, ১০০ কোটির ক্লাব।এখনকার চিত্র: ২০২২ সালে “ব্রহ্মাস্ত্র”, “পাঠান”, “জওয়ান” সুপারহিট। কিন্তু মাঝে অনেক বড় বাজেটের ছবি ফ্লপ। কারণ? দর্শক এখন গল্প চায়, শুধু স্টার না।সমস্যা: রিমেক বেশি, অরিজিনাল কম। বাজেট অনেক, রিস্কও অনেক। B. টলিউড – বাংলা সিনেমাকেন্দ্র: কলকাতা, টালিগঞ্জ।সোনালী যুগ: সত্যজিৎ, মৃণাল সেন, ঋত্বিক। “চারুলতা”, “নগরীক” আজও ক্লাস।এখনকার চিত্র: ২ রকম ধারা। C. সাউথ ইন্ডিয়ান সিনেমা – গেম চেঞ্জারতামিল, তেলেগু, কন্নড়, মালায়ালাম।কেন হিট?: রুটেড গল্প + বিশাল অ্যাকশন + লোকাল কালচার। ডাব করে সারা ভারতে ছাড়ছে।উদাহরণ: “বাহুবলী” ১৭০০ কোটি, “RRR” অস্কার পেলো, “KGF”, “কান্তারা”, “২০১৮”।টেকনিক্যালি এরা এখন ভারতের সেরা। VFX, সাউন্ড, সিনেমাটোগ্রাফি তে টাকা ঢালছে। D. মালায়ালাম – কন্টেন্টের রাজাবাজেট কম কিন্তু গল্পে ১০০/১০০। “Drishyam”, “2018”, “Manjummel Boys”। বাস্তব গল্প, ন্যাচারাল অভিনয়। ক্রিটিক্স আর দর্শক দুই দিকেই হিট। ৩. হলিউড আর OTT এর দাপটNetflix, Amazon Prime, Disney+ Hotstar এর জন্য সিনেমার সংজ্ঞা বদলে গেছে।সুবিধা: ছোট শহরের গল্পও বিশ্ব দেখছে। “Squid Game”, “Money Heist” এর মতো বিদেশি সিরিজও সুপারহিট।অসুবিধা: হলে লোক কমছে। প্রোডিউসাররা এখন সরাসরি OTT তে ছবি ছাড়ছে। ৪. একটা সিনেমা কিভাবে বানায়? পুরো প্রসেসধাপ কাজ সময় খরচপ্রি-প্রোডাকশন গল্প, স্ক্রিপ্ট, লোকেশন, কাস্টিং 3-8 মাস মোট বাজেটের 10%প্রোডাকশন শুটিং, লাইট, ক্যামেরা, আর্ট 30-120 দিন মোট বাজেটের 60%পোস্ট-প্রোডাকশন এডিটিং, VFX, কালার, ডাবিং, BGM 4-10 মাস মোট বাজেটের 30%মার্কেটিং ট্রেলার, প্রমোশন, হল বুকিং 1-2 মাস বড় ছবিতে 50 কোটি+একটা ১০০ কোটির ছবির পেছনে ৩০০+ মানুষ সরাসরি কাজ করে। স্পট বয় থেকে ডিরেক্টর – সবার স্বপ্ন জড়ানো। ৫. ২০২৬ এর বড় ট্রেন্ড ৬. বাংলা সিনেমার সামনে রাস্তাসুযোগ: OTT, ভালো গল্প, নতুন পরিচালক। “কবীর”, “আর্চারের বাঁদর” এর মতো ছবি দেখিয়েছে দর্শক আছে।চ্যালেঞ্জ: বড় বাজেট, ভালো মার্কেটিং, আর সারা ভারতে রিলিজ। সরকারি সাহায্য আর কর্পোরেট ফান্ডিং দরকার। শেষ কথা:সিনেমা কখনো মরবে না। কারণ মানুষ গল্প শুনতে ভালোবাসে। পর্দা ছোট-বড় হতে পারে, মোবাইল থেকে IMAX হতে পারে। কিন্তু অন্ধকার হলে লাইট নিভে গিয়ে যখন পর্দায় গল্প শুরু হয়, সেই ম্যাজিকটা থেকে যাবে।

সিনেমা জগৎ Read More »

the students are planting trees

পরিবেশ, সমাজ ও মানুষ

পরিবেশ, সমাজ ও মানুষ — এই তিনটি উপাদান একটি ত্রিভুজের মতো। একটি ভাঙলে বাকি দুটোও টলে যায়। মানুষ পরিবেশের অংশ, আবার সমাজ গড়ে তোলে মানুষই। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে জলবায়ু পরিবর্তন, ডিজিটাল যুগ আর মানসিক স্বাস্থ্য — এই তিনটে বিষয় আমাদের এই সম্পর্ককে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। ১. পরিবেশ: আমাদের বেঁচে থাকার ভিতপরিবেশ মানে শুধু গাছপালা-নদী নয়। বাতাস, জল, মাটি, জীববৈচিত্র্য — সব মিলিয়ে আমাদের ইকোসিস্টেম। বর্তমান চিত্র: পরিবেশ সুস্থ না থাকলে মানুষ অসুস্থ হবে, আর সমাজের অর্থনীতিও ভেঙে পড়বে। ২. সমাজ: মানুষের একসাথে থাকার কাঠামোসমাজ হল নিয়ম, মূল্যবোধ, শিক্ষা ও সংস্কৃতির জায়গা। এখানেই আমরা সহযোগিতা শিখি। বর্তমান চিত্র: একটি সুস্থ সমাজই পারে পরিবেশ রক্ষার নীতি তৈরি করতে এবং মানুষকে সঠিক পথ দেখাতে। ৩. মানুষ: কেন্দ্রবিন্দু ও দায়িত্বশীল শক্তিমানুষই পরিবেশ ব্যবহার করে, আবার সমাজও গড়ে। মানুষের পছন্দ-সিদ্ধান্তই ঠিক করে দেয় ভবিষ্যৎ। বর্তমান চিত্র: উপসংহার: একে অপরের পরিপূরকপরিবেশ দেয় সম্পদ, সমাজ দেয় কাঠামো, আর মানুষ দেয় সিদ্ধান্ত।সচেতন মানুষ → দায়িত্বশীল সমাজ → সুরক্ষিত পরিবেশ → উন্নত জীবন আমরা যদি এখনই ছোট ছোট পদক্ষেপ না নিই — গাছ লাগানো, অপচয় কমানো, একে অপরের পাশে দাঁড়ানো — তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছুই থাকবে না।

পরিবেশ, সমাজ ও মানুষ Read More »

shivaji

স্বাধীন ভারতের ইতিহাস ১৮৫৭ থেকে ১৯৪৭

প্রায় ৯০ বছর ধরে লড়াই করে আমরা ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীনতা পেয়েছি। এই লড়াইয়ে রক্ত, ত্যাগ আর অহিংসা দুটোই ছিল। ১. প্রথম ধাপ: সশস্ত্র বিদ্রোহ ১৮৫৭একেই বলে “প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম” বা “সিপাহী বিদ্রোহ” ২. দ্বিতীয় ধাপ: রাজনৈতিক আন্দোলন ১৮৮৫ – ১৯০৫ ৩. তৃতীয় ধাপ: চরমপন্থী ও বিপ্লবী যুগ ১৯০৫ – ১৯১৯নরমপন্থা কাজ না হওয়ায় তরুণরা অস্ত্র তুলে নিল। ৪. চতুর্থ ধাপ: গান্ধী যুগ – অহিংস আন্দোলন ১৯১৯ – ১৯৪৭এখান থেকেই আন্দোলন গণআন্দোলন হয়ে উঠল ৫. পাশাপাশি সশস্ত্র সংগ্রাম ৬. স্বাধীনতা ১৫ আগস্ট ১৯৪৭অনেক আলোচনা, আন্দোলন, জেল, ফাঁসির পর ব্রিটিশরা বাধ্য হল দেশ ছাড়তে। মনে রাখার মতো ৪ জন মোট কথা: স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। লক্ষ মানুষের ত্যাগের ফসল এটা

স্বাধীন ভারতের ইতিহাস ১৮৫৭ থেকে ১৯৪৭ Read More »